Mutual Fund Guide: শেয়ার মার্কেট বিষয়টা নিয়ে মানুষের মনের মধ্যে এমনই একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে যে এই বিষয়ে কোন কথা শুনলেই মানুষ ঘাবড়ে যান বুঝতে পারেন না কোথায় কীভাবে ইনভেস্ট করতে হবে।
কিন্তু শেয়ার মার্কেট ভালো মতো বুঝে যদি পয়সা ইনভেস্ট করা যায় সেখানে তাহলে কিন্তু লাভই হবে। তার জন্য শেয়ার মার্কেটের বিনিয়োগের একাধিক বিষয়গুলো ভালো মতো জানতে হবে।
মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund) কী?
শেয়ার মার্কেটে কিছু মানুষ সরাসরি শেয়ার কিনতে পারেন আবার শেয়ার মার্কেটে সরাসরি শেয়ার না কিনেও শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা যায়। এটিকেই বলা হয় মিউচুয়াল ফান্ড (Mutual Fund)।
অর্থাৎ অনেক মানুষের টাকা যখন এক জায়গায় করে, সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করা হয় তাকে বলা হয় মিউচুয়াল ফান্ড।
বিষয়টা আরও সহজ ভাবে বুঝিয়ে বললে বলতে হয়- অনেকগুলো মানুষ টাকা বিনিয়োগ করলেন মিউচুয়াল ফান্ডে। এরপর মিউচুয়াল ফান্ড সেই অনেকগুলো মানুষের টাকা একত্রিত করে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনলো।
উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ১০০ জন মানুষ মিলে ১০০০ করে টাকা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করল তাহলে মোট টাকার পরিমান দাঁড়ালো এক লাখ। এইবার এই ১ লাখ টাকা দিয়ে মিউচুয়াল ফান্ড বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনে রাখল।
Read More: শেয়ার মার্কেটে নতুন? জেনে নিন বেসিক গাইড! কিভাবে ইনভেস্ট শুরু করবেন?
এখন এই টাকা কোথায় কীভাবে বিনিয়োগ করা হবে সেটা একজন ফান্ড ম্যানেজার ও তার দল ঠিক করবেন। অর্থাৎ আপনি নিজে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ (Investment) না করেও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার মাধ্যমে শেয়ার মার্কেটে (Stock Market) বিনিয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি লাভের অংশীদার হতে ও পারেন আবার টাকা কমে যেতেও পারেন।
মিউচুয়াল ফান্ড ঠিক কত ধরনের?
মিউচুয়াল ফান্ড অনেক ধরনের রয়েছে তবে প্রধান কয়েকটি ধরন নিয়েই আমি আলোচনা করব।
ইক্যুইটি ফান্ড– এই ফান্ডের বেশিরভাগ টাকা বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয়। শেয়ারের দাম কমা এবং বাড়ার মধ্য দিয়ে এই ফান্ডের কমা-বাড়া নির্ভর করে, তাই স্বাভাবিকভাবেই এই ফান্ডে (Equity Fund) ঝুঁকি বেশি।
তবে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগ করলে বেশি রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এই ফান্ডের ক্ষেত্রে।
ইক্যুইটি ফান্ডকে কতকগুলি ভাগে ভাগ করা যায়।
- লার্জ ক্যাপ
- মিডক্যাপ
- স্মল ক্যাপ
- মাল্টি ক্যাপ।
- ELSS
- সেক্টরাল ফান্ড ইত্যাদি।
Debt Fund- এটি শেয়ার মার্কেটে তুলনায় অনেক কম ঝুঁকিযুক্ত! তবে ঝুঁকি একেবারেই নেই এটা বলা যায় না। এই ফান্ডের ক্ষেত্রে বড় বড় কোম্পানির বন্ড, সরকারি বন্ড, ট্রেজারি বিল ইত্যাদি ক্ষেত্রে টাকা বিনিয়োগ হয়।
এখন যে সংস্থা কে টাকা দেওয়া হয়েছে তাদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে ফান্ডের মূল্যের বৃদ্ধি বা হ্রাস ঘটে থাকে।
হাইব্রিড ফান্ড (Hybrid Fund)- দুই রকমের বিনিয়োগ যদি একসঙ্গে করা হয় তখন সেটিকে হাইব্রিড ফান্ড বলে। দুই রকমের বিনিয়োগ বলতে এখানে উপরের দুই রকমের বিনিয়োগ অর্থাৎ ইক্যুয়িটি ও ডেট ফান্ডের কথা বলা হচ্ছে।
এক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি কিছু টাকা শেয়ারে এবং কিছু টাকা ভন্ডে রাখতে পারেন। তাহলে যেটা হয় শেয়ার বাজারের বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে আবার অন্যদিকে কিছু টাকা তুলনামূলকভাবে স্থির বিনিয়োগে থাকে। তাহলে ঝুঁকির মাত্রা কিছুটা হলেও এড়ানো সম্ভব তবে অবশ্যই আপনি কীসে বিনিয়োগ করছেন সেটা আপনাকে ভেবে চিন্তেই করতে হবে।
ইনডেক্স ফান্ড (Index Fund)- ফান্ড ম্যানেজার যখন নিজের পছন্দমত বারবার শেয়ার বেছে না নিয়ে, নির্দিষ্ট কোন একটি সূচককে (Index) অনুসরণ করেন তখন সেটিকে Index Fund বলে।
যেমন, Nifty 50- এ দেশের ৫০টি বড় কোম্পানি আছে, Nifty 50 Index Fund আসলে সেই সুযোগকে অনুসরণ করে চলে।
ETF -এর পুরো নাম হল- Exchange-Traded Fund।
এটা কোন নির্দিষ্ট Index বা সম্পদের দাম অনুসরণ করলেও এক্ষেত্রে, ETF -এর ইউনিট শেয়ার এর মত স্টক এক্সচেঞ্জে (Stock Exchange) কেনা-বেচা হয়।
SIP কী?
মিউচুয়াল ফান্ড যারা করেন তারা সব থেকে বেশি পরিচিত এই শব্দের সঙ্গে। SIP করার কথা অনেকেই শুনেছেন কিন্তু SIP কী, সেটা অনেকেই জানেন না।
SIP-র পুরো নাম হলো Systematic Investment Plan। এটা কোন আলাদা মিউচুয়াল ফান্ড নয়, এক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে বিনিয়োগ করা হয়। অর্থাৎ, কোন মানুষের কাছে হয়তো একবারে অনেক বেশি টাকা দেওয়ার মত সামর্থ্য নাই, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী মাসে মাসে সেই টাকা দিয়ে SIP করতে পারেন।
যদি কোন ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে হাজার টাকা করে SIP করেন, তাহলে মাসের একটি নির্দিষ্ট দিনে সেই টাকাটা তার অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নির্দিষ্ট সেই ফান্ডে জমা পড়বে। এইভাবে বছর শেষে দেখা যাবে ১২x১০০০=১২,০০০/- টাকা হয়েছে। এই টাকা কত বছরের জন্য আপনি করছেন সেই অনুযায়ী একটা নির্দিষ্ট সময় পর আপনি রিটার্ন পাবেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একজন ব্যক্তি তার স্বল্প সামর্থ্য থাকলে তিনি যেমন মাসিক SIP ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকার করতে পারেন তেমনি কারও আর্থিক সামর্থ্য বেশি থাকলে সে ২০০০, ৫০০০, ১০,০০০ এরও বেশি অর্থের SIP করতে পারেন।
Lump Sum Investment: কোন ব্যক্তি হয়তো প্রত্যেক মাসে দীর্ঘকালীন সময় ধরে SIP করতে পারলেন না, তার কাছে হয়ত এক থোক টাকা আছে। সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি সেই টাকাটি একেবারে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করলেন। এই যে একবারে এক থোক টাকা বিনিয়োগ করা এটাকেই লাম্পসাম ইনভেসমেন্ট বলা হয়।
অর্থাৎ ধরুন কোন একটি ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ১০০০ টাকা করে বিনিয়োগ করলেন তাহলে এক বছরে তার ১২,০০০ টাকা বিনিয়োগ হলো। এটাই হচ্ছে SIP!
অন্যদিকে কোন একজন ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগ করতে পারলেন না তিনি একবারে ১২,০০০/- টাকা কোন ফান্ডে ইনভেস্ট করলেন। এটাই হচ্ছে লাম্পসামের মধ্যে পার্থক্য।
যদি আপনি প্রতি মাসে অল্প করে ইনভেসমেন্ট করতে সামর্থ্যবান হন তাহলে- SIP করুন।
যদি আপনি প্রত্যেক মাসে অল্প করে দেওয়ার পরিবর্তে একবারে বড় অংকের টাকা দিতে ইচ্ছুক হন তাহলে লাম্পসাম করুন।
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ কীভাবে করবেন?
মিউচুয়াল ফান্ড কী এবং কতগুলি ধরনের সেটা তো বোঝা গেল, তারপর স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনের মধ্যে প্রশ্ন আসে যে মিউচুয়াল ফান্ডে কীভাবে বিনিয়োগ করা সম্ভব!
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার আগে নিজেকে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার ভাবে বুঝে নিতে হবে।
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করবার আগে আপনাকে নিজের আর্থিক অবস্থা যেমন বুঝতে হবে তেমনি জেনে নিতে হবে আপনার লক্ষ্য কী?
দেখুন মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে নিজের সঞ্চয় টাকা আলাদা জায়গায় রেখে, জরুরি প্রয়োজনে টাকা আলাদা জায়গায় রেখে, তারপর যদি আপনি মিউচুয়াল ফান্ডে সেই টাকা রাখেন সেক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে আপনি লাভ পেতে পারেন।
তাই দীর্ঘমেয়াদে এসআইপি করুন বা লাম্পসাম নিজের ইনকাম কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন এবং তার মধ্যে জরুরি অবস্থা, আপৎকালীন সঞ্চয় সরিয়ে রেখে বাকি টাকাটা এসআইপি অথবা লাম্পসামে দিন।
কারণ আপনি যদি দীর্ঘ মেয়াদে কোন টাকা বিনিয়োগ করে ফেলেন একবার, তারপর
আপনার জরুরী সময় বা আপৎকালীন কোন বিষয়ে যদি আপনাকে এসআইপি বা লাম্পসাম ভেঙে টাকা দিতে হয় সেক্ষেত্রে আপনি হয়ত সেভাবে লাভবান হতে পারবেন না। কারণ বাজার দর সময়ের অনুপাতে নির্ভর করে।
এবার আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কোন লক্ষ্যে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করছেন বা টাকা জমাচ্ছেন?
আপনার লক্ষ্য কি ভবিষ্যতে বাড়ি কেনা? বা সন্তানের পড়াশোনা অথবা অবসর সময়ের জন্য টাকা রাখা অথবা ভবিষ্যৎ কালের জন্য টাকা তৈরি করা- এর মধ্যে কোনটা আপনার লক্ষ্য সেটি বুঝে সেই অনুপাতে বিনিয়োগের ধরন ঠিক করুন।
তারপর ভাবুন আপনি এই বিনিয়োগ টি কত সময়ের জন্য করতে পারবেন?
আগেই বলেছি যদি কয়েক মাসের মধ্যে আপনার টাকার দরকার হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদি শেয়ার ভিত্তিক ফান্ড বেছে নেওয়া আপনার জন্য লাভজনক হবে না।
আপনার যদি ১০ থেকে ১৫ বছরের জন্য বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা থেকে থাকে তখনই আপনি দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফান্ড দেখুন।
টাকার মূল্যে হেরফের-
শেয়ারভিত্তিক ফান্ডের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করলে একটা কথা সবসময় মাথায় রাখতে হবে বাজার ওঠা নামার সঙ্গে টাকার মূল্য বাড়া-কমা হতে পারে।
তাই কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করার আগে সেই ফান্ডের Riskometer দেখে নিন, তাহলে কতটা ঝুঁকি আছে সেটা আপনিও বুঝতে পারবেন, তারপর বিনিয়োগ করুন।
ফান্ড বাছার আগে কয়েকটি বিষয় নজর রাখুন-
ফান্ড বাছার আগে কয়েকটি বিষয়ে অবশ্যই নজর রাখতে হবে। যেমন-
- ফান্ডটি কোন ধরণের?
- কোথায় কোথায় টাকা বিনিয়োগ করে?
- এক্ষেত্রে ঝুঁকি কতটা রয়েছে?
- টাকা তোলার সময় কি কি পদ্ধতি আছে বা এক্সিট লোড আছে কিনা?
- ফান্ডের আগের কয়েক বছরের কাজ কেমন ছিল?
- ফান্ডের লক্ষ্য কী?
তবে একটা কথা মাথায় রাখবেন কোন ফান্ড আগে ভালো রিটার্ন দিয়েছে মানেই তাতে কোন ঝুঁকি নেই এমনটা কিন্তু নয় ভবিষ্যতে ঝুঁকি বা বিপদ আসতেই পারে।
ডাইরেক্ট প্ল্যান ও রেগুলার প্ল্যান কী?
মিউচুয়াল ফান্ডের দু’রকমের প্ল্যান দেখা যায় একটা ডাইরেক্ট একটা রেগুলার।
ডাইরেক্ট প্ল্যান হল এমন একটি প্ল্যান যেখানে- কোন ব্যক্তি সরাসরি মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থার মাধ্যমে বিনিয়োগ করেন সেক্ষেত্রে খরচ কম হয়।
যদি একজন এজেন্ট বা ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা হয় এতে ডিস্ট্রিবিউশনের খরচ থাকে। এটিকে বলা হয় রেগুলার প্ল্যান।
এখন একজন ব্যক্তি যদি নিজে ফান্ড সম্পর্কে বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাহলে তিনি ডাইরেক্ট প্ল্যানে যেতেই পারেন আর যদি সেই ব্যক্তির সাহায্য বা পরামর্শের প্রয়োজন হয় তাহলে রেগুলার প্ল্যানের মাধ্যমে বিনিয়োগ করা উচিত।
মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে কী কী সুবিধা রয়েছে?
- মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে কয়েকটি দিকে সুবিধা রয়েছে-
- সহজে যে কোন ব্যক্তি বিনিয়োগ করতে পারবেন।
- যে কোনও ছোট অঙ্কের টাকা দিয়েই বিনিয়োগ করা সম্ভব।
- এক্ষেত্রে টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করা সম্ভব।
- একটা ফান্ডের মধ্যে অনেকগুলো কোম্পানি থাকতে পারে, তাই পুরো টাকা একটা জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে না।
- ফান্ড ম্যানেজার এবং তার দল বিনিয়োগের বিষয়টি পরিচালনা করেন।
এবং সর্বশেষ সুবিধা এটাই যে নিয়মিত সঞ্চয় এর অভ্যাস হয় এসআইপির মাধ্যমে। কারণ এই ক্ষেত্রে খুব অল্প সংখ্যক টাকা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণে সঞ্চিত হয় বা বিনিয়োগ করা হয়।
মিউচুয়াল ফান্ডে ঠিক কী কী ধরনের ঝুঁকি রয়েছে?
মিউচুয়াল ফান্ড কিন্তু একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নয়। এক্ষেত্রেও বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে।
- শেয়ার ভিত্তিক ফান্ডে বাজার মূল্য পরে গেলে টাকার মূল্য কমে যেতে পারে।
- ডেট ফান্ডের সুদের হার ও কমা বাড়া হয়ে থাকে।
- তাই মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ মানে কিন্তু নিশ্চিত লাভ নয়।
বিগিনারদের জন্য কিছু পরামর্শ
সবশেষে মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে যারা একেবারে নতুন তাদের জন্য কয়েকটি পরামর্শ দেওয়া হলো –
মিউচুয়াল ফান্ড একপ্রকার বিনিয়োগ তাই এক্ষেত্রে লাভ-ক্ষতি দুটোই থাকবে। এটা মাথায় রেখেই মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করুন।
কেন বিনিয়োগ করবেন, কত দিনের জন্য বিনিয়োগ করবেন এবং কতটা ঝুঁকি নিতে পারবেন বিষয়গুলো বুঝে তারপর ফান্ড নির্বাচন করুন।
SIP করলে নির্দিষ্টভাবে যে লাভ হবে এর কোন গ্যারান্টি নেই! এসআইপি হল নিয়মিতভাবে বিনিয়োগ করার একটি পদ্ধতি মাত্র।
যে কোন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করাবার আগে সংশ্লিষ্ট ফান্ডের তথ্য, খরচ, ঝুঁকি ও নিয়ম ভালোভাবে পড়ে তারপর বিনিয়োগ করবেন।
সব সময় মাথায় রাখবেন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ কিন্তু বাজার কত ঝুঁকি সাপেক্ষ। বাজারদর কমলে মিউচুয়াল ফান্ডের টাকা কমে যেতে পারে তাই আপনি যদি এই সম্পর্কে একেবারেই অনভিজ্ঞ হন তাহলে কোন ইনভেস্টারের পরামর্শ নিন।







