Awas Yojana Taka Kobe Dhukbe 2026: পশ্চিমবঙ্গ সরকার পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্প নিয়ে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। দুর্গা পুজোর আগেই এই সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করার সম্ভবনা প্রবল। পুজোর আগেই উপভোক্তাদের জন্য এটা ভীষণ ইতিবাচক খবর হতে চলেছে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্পের অধীনে থাকা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে।
এই টাকা পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার প্রাপকদের টাকা যাতে পুজোর আগেই ঢোকে সেই চেষ্টা করছে সরকার। রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এই বিষয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করছেন।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ৯০ দিনের মজুরি বাদ দিয়ে আবাস যোজনার প্রাপকদের মাথাপিছু ২৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তবে এই টাকা একসঙ্গে দেওয়া হবে না, ধাপে ধাপে দেওয়া হবে।
পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার এই প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় যে সকল প্রাপকরা কর্মরত হিসেবে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে কাজের মেয়াদ ধরা হবে ৯৫ দিন।
কোন দিন এই টাকা পাঠানো হবে সেই বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয় নি। রাজ্য স্তরে এ নিয়ে এখনও ভাবনাচিন্তা চলছে এমনটাই খবর। সংবাদমাধ্যম থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রক রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। ১২৫ দিনের কাজ বা ভিবি জি রামজি প্রকল্প থেকে মজুরি বাবদ টাকা পাঠানো হবে।
বহু আগে, পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রকল্প শুরু হয়েছিল, মূলত গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি তৈরি করার জন্য। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পটি বন্ধ থাকার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটি চালু করেছিলেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই যোজনার নাম ছিল বাংলার বাড়ি।
বর্তমানে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে এই প্রকল্পের নাম রাখা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ আবাস। পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন বৈঠকে এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া নিয়ে ইতিবাচক কথা আলোচনা হয়েছে। পুজোর আগেই প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কথা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বাধীন সরকার ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিয়ে দিয়েছেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে যাতে মজুরি বাবদ টাকা দেওয়া হয় সরকারের তরফ থেকে সেই নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পরিকল্পনা মাফিক টাকা পাঠানো হলে পুজোর আগে প্রায় ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার প্রাপক উপকৃত হতে পারেন বলে খবর।










