Mukhyamantri Swasthya Bima Card Apply Online: রাজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে আর তারপর থেকে একের পর এক জনহিতকর প্রকল্প চালু করেছে নতুন সরকার। এই সকল কেন্দ্রীয় জনহিতকর প্রকল্পগুলির মধ্যে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রকল্প স্বাস্থ্য বীমা যোজনা আয়ুষ্মান ভারত সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এই প্রকল্প কিন্তু সকলের জন্য নয় এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে বেশ কতগুলি শর্ত মেনে চলতে হবে। রাজ্যের প্রায় ছয় কোটি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেলেও সকল রাজ্যবাসী কিন্তু এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় বলেছেন , আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা যারা পাবেন না, তাদের জন্য আছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা। এই প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস স্বাস্থ্যপরিসেবা পাওয়া যাবে।
এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল কেওয়াইসি করানো। অনেকেই ভাবেন এই কাজটা করানো সবথেকে বেশি কঠিন, অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয় যা অত্যন্ত ঝক্কির। তবে আপনাদের জানিয়ে রাখি বাড়িতে বসে মাত্র ১০ মিনিটে স্মার্টফোনের সাহায্যে কিন্তু কেওয়াইসি করা যায়।
KYC কীভাবে করাবেন ঘরে বসে?
ঘরে বসে KYC করানোর জন্য
- প্রথমেই আপনাকে ন্যাশনাল হেল্প অথরিটি অফিসিয়াল বেনেফিশিয়ারি nha.gov.in পোর্টালে যেতে হবে।
- আপনি চাইলে আপনাকে প্লে স্টোর থেকে আয়ুষ্মান অ্যাপ ডাউনলোড করতেও পারেন।
- এরপর পোর্টালে নিজের বৈধ মোবাইল নাম্বার দিন ও লগ ইন করুন। তারপর একটি OTP আসবে,
সেটি দিয়ে পোর্টালে প্রবেশ করুন। - এরপর নিজের রাজ্যের নাম নিজের জেলার নাম নিজের ব্লকের নাম নির্বাচন করুন।
- তারপর সার্চ অপশনে গিয়ে আপনার আধার কার্ডের নাম্বার টাইপ করুন বা রেশন কার্ডের নাম্বার টাইপ করুন ও আপনার পরিবারে তালিকাটি খুঁজে বার করুন।
- এইবার আপনার পরিবারের বা আপনার নামের পাশে থাকা কেওয়াইসি অপশনটি ক্লিক করুন।
- তারপর আধার ভেরিফিকেশন এর জন্য মোবাইলে আবার একটি OTP আসবে।
- এরপর নতুন একটি পেজ খুলে যাবে এবং আবেদনকারীর সম্পূর্ণ তথ্য বিবরণ দিতে হবে।
- সবশেষে আবেদনকারীর ছবি তুলে আপলোড করতে হবে এবং আবেদনফর্মটি সাবমিট করতে হবে।
KYC-র জন্য প্রয়োজনীয় নথি
কেওয়াইসি করানোর জন্য
- বৈধ আধার কার্ড,
- ডিজিটাল রেশন কার্ড যেমন প্রয়োজন,
- তেমনই আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় ৮ লক্ষ টাকার কম তার প্রমাণ কিন্তু দিতে হবে।
- এছাড়া একটি বৈধ ফোন নাম্বার লাগবে এবং লাগবে পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
- আবেদনকারীর ঠিকানা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথিও এই ক্ষেত্রে প্রয়োজন।
- উপরি উক্ত বিষয়গুলো ঠিকঠাক থাকলে, ঘরে বসেই KYC করা সম্ভব।











