অন্নপূর্ণা যোজনাবার্ধক্য ভাতাযুবশক্তি স্কীমসরকারি নিয়মআজকের খবরইনভেস্টমেন্ট গাইডঅনলাইন ক্যারিয়াররাশিফলস্বাস্থ্যপ্রযুক্তিলাইফস্টাইলশেয়ার বাজারমিউচুয়াল ফান্ডআধ্যাত্মিকঅন্যান্য

ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ইনকাম করার উপায়? A টু Z গাইড!

Published on: September 20, 2026
How to Create Youtube Channel

How to Create Youtube Channel: বর্তমান যুগে অনেকেই ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে চাইছেন। কিন্তু ইউটিউব চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে গেলে বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে-

কীভাবে এই চ্যানেল খোলা যায়? কীভাবে এই চ্যানেলকে সকলের মধ্যেখানে তুলে ধরা যায়? কিভাবে এর ভিউজ বাড়ানো যায়? কীভাবে এই নতুন খোলা চ্যানেলটিকে মনিটাইজ করা যায়? এবং বিভিন্নভাবে কী করে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়?

আজকে তাই ইউটিউব চ্যানেল খোলা থেকে শুরু করে, চ্যানেলের দর্শক সংখ্যা বাড়ানো এবং ইনকাম বাড়ানোর নানান রকম টিপস রইল এই প্রতিবেদনে।

নিজের জ্ঞান অভিজ্ঞতা লাগিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলুন:

প্রথমেই বলি, সকলে যেটা করছে সেটা ফলো করবেন না। আপনি সেটাই করুন যেটা আপনার মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ আপনার নিজস্বতাকে প্রয়োগ করে ইউটিউব চ্যানেলে দেখানোর চেষ্টা করুন।

প্রত্যেকটা মানুষ কোন না কোন দিক থেকে অভিনব, তারা যদি তাদের অভিনব দিকগুলো ইউটিউব চ্যানেলের মধ্যে তুলে ধরে তাহলে যে কোন চ্যানেল অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং তা থেকে ইনকাম করা সম্ভব।

Read More: জিও সিম থাকলেই পাবেন, ৪০০০ টাকার ফ্রি গিফট! দেখে নাও কিভাবে?

তাই ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে ভাবুন আপনার চ্যানেলে আপনি দর্শকদের সামনে কী উপস্থাপনা করবেন এবং অবশ্যই এই বিষয়টি অভিনব হতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেল খোলার আগে অবশ্যই মনে রাখবেন-

ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য দর্শকদের উপযোগী বিষয় বস্তুর বিষয় যেমন খুঁজে বার করতে হবে, তেমনি যিনি ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন তার মধ্যে ধৈর্য্য‌ও রাখতে হবে। কারণ ইউটিউব চ্যানেল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই যে সেটা জনপ্রিয় হয়ে যাবে এমনটা কিন্তু নয় তাই সময় দিয়ে চ্যানেলটাকে আস্তে আস্তে বাড়িয়ে তুলতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেল খুলুন প্রথমে- প্রথমে আপনি আপনার Google বা জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে Youtube এ নিজের একটি গুগল অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।‌ তারপর সেই একাউন্টের লগইন করে সহজেই নিজের একটি চ্যানেল তৈরি করুন। ‌

এজন্য একটি সুন্দর ও সহজ নাম বেছে নেবেন যেটা আপনার চ্যানেলের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলে যায়। এমন একটি নাম রাখবেন যেটা মানুষ খুব সহজেই মনে রাখতে পারে বা খুব সহজেই লিখে সার্চ করতে পারে।

ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভালো প্রোফাইল পিকচার, চ্যানেল লোগো ও ব্যানার দিতে হবে। ভেতরে চ্যানেল ডেসক্রিপশন সংক্ষেপে দিন এবং কী ধরনের ভিডিও আপনি রাখছেন আপনার চ্যানেলের সেটাও লিখুন।

কী কী ধরনের ভিডিও আপনি তৈরি করতে পারেন?

ইউটিউব চ্যানেল খুলবার আগে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি আপনার চ্যানেলে কী দেখাবেন বা কোন কোন বিষয়ে রাখবেন।

বর্তমানে যে যে ধরনের ভিডিওগুলি ইউটিউবে খুব চলছে তার মধ্যে

  • শিক্ষামূলক ভিডিও,
  • চাকরির প্রস্তুতিমূলক ভিডিও,
  • রান্না,
  • কোথাও ঘুরতে গিয়ে ভ্রমণ মূলক ভিডিও,
  • প্রযুক্তিবিদ্যার নানান রকম প্রয়োগের ভিডিও,
  • গল্পের ভিডিও,
  • চাষবাসের বা বাগানের ভিডিও,
  • দৈনন্দিন জীবনযাপন বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ভিডিও,
  • সিনেমা বা ব‌ইয়ের আলোচনার ভিডিও,
  • নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার ভিডিও,
  • হাস্য রসাত্মক বিভিন্ন ধরনের ভিডিও,
  • এছাড়া নিজের কোন প্রতিভা যেমন নাচ, গান, আবৃত্তি,নাটক,আঁকার ভিডিও ইত্যাদি।

আপনি যদি শিক্ষামূলক চ্যানেল খোলেন তাহলে,

  • বাংলা ব্যাকরণ,
  • ইংরেজি ব্যাকরণ,
  • গণিতের সহজ সমাধান,
  • প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা,
  • মাধ্যমিকের প্রস্তুতি,
  • চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি

এইসব বিষয়ের মধ্যে যা নিয়ে আপনার জ্ঞান রয়েছে, সেই বিষয় দর্শকদের অনায়াসেই দেখাতে পারবেন।

এছাড়া, আপনি আপনার নিত্যদিন কী কী নিয়ম ফলো করেন, মুখে মাখার জিনিসের ক্ষেত্রে বা চুলে কী ধরনের জিনিস ব্যবহার করেন, সেগুলো ভিডিও করতে পারেন। আপনার বাড়ির ঠাকুর কী আপনি কীভাবে রোজ সেবা দেন বা আপনার ঘর আপনি কীভাবে সাজান সেগুলো দেখাতে পারেন।

হাস্যরসাত্মক ভিডিওর ক্ষেত্রে নানান রকম হাস্যরসের বিষয় তুলে ধরতে পারেন বা কোন সিনেমা সিরিয়াল নিয়ে সমালোচনার মাধ্যমে রিভিউ এর মাধ্যমে হাস্যরস তুলে ধরতে পারেন। কোন বই বা সিনেমার আলোচনা করতে পারেন, এই ধরনের ভিডিও মানুষ বেশ পছন্দ করেন।

মোবাইল ও প্রযুক্তি মূলক ভিডিও করতে চাইলে আপনি স্মার্টফোনের ব্যবহার, অ্যান্ড্রয়েডের নানান রকম সেটিংস, মোবাইলে নানান রকম টিপস এগুলো দেখাতে পারেন।

রান্নার চ্যানেল খুললে কম খরচে রান্না, গ্রামের নানান রকম রান্না , আঞ্চলিক নানান রকম রান্না, শহুরে রান্না এইসব দেখাতে পারেন আবার ঠাকুরের ভোগের রান্নাও দেখাতে পারেন।

আবার কোথাও বেড়াতে গিয়ে সেখানকার দর্শনীয় স্থান, মন্দির, পর্যটন কেন্দ্র , যাতায়াতের খরচ এইসব দেখিয়ে ভ্রমনমূলক ভিডিও করতে পারেন।

নানান রকম ঐতিহাসিক ঘটনা, পৌরাণিক ঘটনা, বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী, নানা অজানা ঘটনা নিয়ে তথ্যমূলক ভিডিও করতে পারেন।

উপরিউক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে যে বিষয়ে আপনার ভালো জ্ঞান সেই বিষয়ে নিয়ে ভিডিও করুন।

ভিডিও করবার জন্য যা দরকার-

ইউটিউব চ্যানেল খুলবার জন্য প্রচুর টাকার দরকার নেই। ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য শুরুতে একটা ভালো স্মার্টফোন হলেই চলবে। ‌ আর যা যা লাগবে সেটা হল-

  • -মাইক্রোফোন।
  • -ভালো আলোর ব্যবস্থা।
  • -ভিডিও এডিটিং অ্যাপ।

মনে রাখবেন আপনি ভিডিওতে কীভাবে কথা বলছেন বা ভিডিওটিকে কীভাবে উপস্থাপন করছেন সেটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ শ্রোতাকে আকর্ষণ করার জন্য।

ভিডিও কে আকর্ষণীয় তৈরি করুন:

ইউটিউবে একাধিক চ্যানেল আছে তার মধ্যে মানুষ কেন আপনার চ্যানেল দেখবে এই প্রশ্নটা নিজেকে করুন এবং সেই অনুযায়ী আপনার চ্যানেলটিকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করুন দর্শকের সামনে।

ধরুন আপনি অঙ্কে খুব দক্ষ সেক্ষেত্রে গণিত শেখার সহজ কৌশলের ওপর ভিডিও বানাতে পারেন…

আপনি দেখাতে পারেন ভগ্নাংশ কীভাবে ১০ মিনিটে শেখানো যায় বা এমন কিছু উপায় যাতে কঠিন অঙ্ক জলের মতো সহজ করে ছাত্র-ছাত্রীরা বুঝতে পারে।

ইংরেজি চ্যানেল খুললে আপনি এমন কিছু শব্দ বন্ধ আপনার ভিডিওতে প্রয়োগ করতে পারেন যেগুলো খুব কমন ইউজ হয় যেগুলো মনে রাখলে মোটামুটি রচনা থেকে প্রবন্ধ সব ক্ষেত্রে চালিয়ে দেওয়া যায়।

আর যদি রান্নার চ্যানেল খুলেন তাহলে দেখাবেন অল্প উপকরণ এর মধ্যে ঘরোয়া ভাবে কীভাবে মানুষ রান্নাটা কে করতে পারেন। তাহলে ভিডিওগুলো খুব সহজেই আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে আর দর্শকদের মনের মধ্যে আপনার তৈরি করা ভিডিওর প্রতি একটা ভালো লাগা তৈরি হবে যার ফলে ভিউ আপনা আপনি বাড়বে।

ভালো টাইটেল ও থাম্বনেল জরুরি-

ভিডিওটিকে ভালোমতো বললেই শুধু হবে না তার সঙ্গে টাইটেল পরিষ্কার আকর্ষণীয় এবং ছোট হওয়া দরকার এবং সেই রকমই চমকপ্রদভাবে তৈরি করতে হবে থাম্বনেল।

যেমন ধরুন আপনি আজকের গণিতের ক্লাস না বলে বলবেন ভগ্নাংশের অংক ৫ মিনিটে শিখুন তাহলে টাইটেলটা ভীষণ আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

থাম্বনেলের ক্ষেত্রে এমন কিছু রাখবেন না যেটা ভিডিওর মধ্যে নেই তাহলে দর্শকরা যখন প্রথম দিকে দেখবে আপনি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তখন পরবর্তীতে তারা আর আপনার ভিডিও দেখবে না। তাই ভিডিওর মধ্যে যেটা রাখছেন থাম্বনেল ও টাইটেলে সেটাকেই আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরুন।

ইউটিউবে নিয়মমাফিক ভিডিও আপলোড করুন:

আপনাকে রোজ ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে হবে না, কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর আপনি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন আপনি সপ্তাহে দুটা বা তিনটে করে ভিডিও আনেন, এটা রেগুলার বেসিকে করতে থাকুন। তাহলে দর্শকদের মনের মধ্যেও যেমন এই বিষয়টা থাকবে যে সপ্তাহে তিনটে করে ভিডিও বা দুটো করে ভিডিও আসে। তেমনি ইউটিউব‌ও সেই ভাবে আপনার ভিডিওগুলোকে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করবে যাতে ভিউ বেশি হয়।

প্রথমদিকে ভিডিও নিয়ে এতটা চাপ নেওয়ার দরকার নেই যদি সপ্তাহে তিনটে ভিডিও করেন তাহলে বিষয়টাকে একটু ভাগ করে নিন যেমন ধরুন-

আপনি সপ্তাহের প্রথম দিকে সোমবার শিক্ষামূলক একটি ভিডিও দিলেন তার ঠিক দুদিন বাদে বুধবার আপলোড করলেন সেই ভিডিও সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নোত্তর বা শর্টস, সপ্তাহের শেষের দিকে মানে শনিবার বিস্তারিত একটি বিষয়ের ওপর ভিডিও দিলেন এভাবে যদি আপনি কাজ করতে থাকেন তাহলে ধীরে ধীরে দর্শক সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

বড় ভিডিও থেকে শর্ট ভিডিও বেশি ব্যবহার করুন-

ইউটিউব চ্যানেলের শর্ট খুব দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছায় আর মানুষও আজকাল ধৈর্য দিয়ে বড় ভিডিও দেখার চাইতে ছোট ভিডিও বেশি দেখে তাই শর্টটা বেশি করে তৈরি করুন। যাতে সেটা মানুষকে আপনার চ্যানেল ওদিকে নিয়ে আনে এবং তারা কৌতুহল বোধ করে আপনার বড় ভিডিওগুলোকে দেখেন।

ধরুন আপনি যদি শিক্ষামূলক কোন চ্যানেল খোলেন তাহলে শর্টের মধ্যে, অংকের একটা ছোট শর্টকাট রাখতে পারেন বা ৩০ সেকেন্ডের ইংলিশের কিছু শব্দ বন্ধ রাখতে পারেন যেগুলো নিত্য প্রয়োজনীয়, জ্ঞানের কোন প্রশ্ন রাখতে পারেন, শিক্ষামূলক আকর্ষণীয় কোন তথ্য রাখতে পারেন।

তথ্যপ্রযুক্তির ওপর ভিডিও হলে মোবাইলের কোন ছোট্ট ট্রিক্স রাখতে পারেন যেটা দেখে মানুষ আপনার চ্যানেলটির প্রতি কৌতূহল বোধ করবে।

তবে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন ইউটিউব ভিডিওর ইনকাম কিন্তু নির্ভর করে মূল বিষয়ের ভালো বড় ভিডিওর ওপর তাই শর্ট দেখে মানুষ কৌতুহলী হয়ে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করলেও আপনার মূল ভিডিও গুলি যেন সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় সেইদিকে নজর রাখবেন।

ইউটিউব মনিটাইজেশন:

ইউটিউব এ বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন ভাবে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব তবে এর জন্য অবশ্যই ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের যোগ্যতা থাকতে হবে।

ইউটিউব এর নিয়ম বিভিন্ন সময় পরিবর্তন হয় তাই মনিটাইজেশনের জন্য এপ্লাই করার আগে ইউটিউব ভিডিওতে নিজের চ্যানেলের বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা দেখে নেওয়া উচিত।

মনিটাইজেশনের ক্ষেত্রে সাবস্ক্রাইবার , ওয়াচ টাইম বা শর্ট ভিডিওর জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্রাইটেরিয়া থাকে সেটা ফুলফিল করতে পারলে চ্যানেল মনিটাইজ হয়।

বিজ্ঞাপন থেকে আয়-

ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে যদি আপনার চ্যানেল যোগ্য হয়ে ওঠে তাহলে বিজ্ঞাপন চালু হয় তখন ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানো হয় এবং তার মাধ্যমে আয় হয়।

তবে ইউটিউবের আয় নির্দিষ্ট কতগুলি বিষয়ের উপর নির্ভর করে-

যেমন কতগুলো দর্শক ভিডিও দেখেছেন, কতক্ষণ সময় ধরে তারা ভিডিও দেখেছেন, কতজন লাইক করেছেন, তারা কোন দেশের লোক ইত্যাদি ইত্যাদি…

হাজার ভিউজ হলেই এত টাকা এরকম নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। ইউটিউব বিভিন্ন সময় তাদের পলিসি পরিবর্তন করে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং-

যদি আপনি কোন মোবাইল বা ইলেকট্রনিক প্রোডাক্ট নিয়ে ভিডিও করেন বা কোন জিনিসের রিভিউ বার করেন তাহলে সেই জিনিসটি বিক্রি করবার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলে তার লিংক দিয়ে দিলেন, তখন সেই লিংক ক্লিক করে যদি দর্শক প্রোডাক্টটি কেনেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম অনুযায়ী আপনি কমিশন পেয়ে যাবেন।

তবে, এক্ষেত্রে অবশ্যই দর্শকদের কাছে সততা বজায় রাখবেন এবং দর্শকদের জানাবেন যে নীচে দেওয়া লিঙ্কটি অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক।

স্পন্সরশিপ

যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি বড় হয় এবং তাতে প্রচুর ভিউ হয় সেক্ষেত্রে বড় বড় কোম্পানি বা ব্র্যান্ড রা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে আপনার ভিডিওতে বলার জন্য।

যেমন অনেক ক্ষেত্রে মিশো অ্যাপ থেকে স্পন্সার শিপের জন্য অনেক বড় বড় ক্রিয়েটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাদেরকে বিভিন্ন রকম ড্রেস দিয়ে বলা হয় সেগুলো পড়ে ভিডিও করতে আর ভিডিওর শেষে সেই ড্রেসের লিংক টা দিয়ে দিতে।

তবে স্পন্সারশিপ দেওয়ার সময় কখনই কোন প্রডাক্ট সম্পর্কে মিথ্যে কথা বলবেন না। যেটা সত্যি দেখতে পাচ্ছেন সেটাই বলবেন। না হলে দর্শকদের বিশ্বাস আপনার উপর থেকে চলে যাবে।

নিজের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি করতে পারেন:

ইউটিউব চ্যানেলে আপনি নিজস্ব প্রোডাক্ট বা সার্ভিসে প্রচার করতে পারেন। যেমন নিজে কোন জিনিস তৈরি করে সেটার প্রচার করতে পারেন এবং তার কী কী সুবিধা সেগুলো বলতে পারেন।

আবার পেড অনলাইন ক্লাস করাতে পারেন। ফিস নিয়ে কোন বিষয়ের উপর ট্রেনিং দিতে পারেন।

যদি আপনার মধ্যে কোন বিশেষ প্রতিভা থেকে তাকে তবে অবশ্যই ইউটিউব আপনাকে আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দেবে এবং এর মাধ্যমে আপনি যেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন তিনি আপনার তৈরি করা প্রোডাক্ট বা আপনার মধ্যে থাকা গুণটি সবার কাছে পরিচিত হয়ে যাবে। একবার আপনি পরিচিত হয়ে গেলে তার মাধ্যমে নানান ধরনের কাজ করতে পারবেন।

WB TATHYA

WB Tathya শুধু একটি YouTube চ্যানেল নয়—এটি একটি বিশ্বাসযোগ্য মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম কমিউনিটি। YouTube, Website, Facebook Page, Instagram এবং X—সব জায়গাতেই আমরা একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি: সঠিক তথ্য, বাস্তব সুযোগ এবং সম্পূর্ণ ফ্রি গাইডেন্স মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।আমাদের প্রতিটি কনটেন্ট নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়, যাতে পাঠক ও দর্শক সহজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।যোগাযোগ: contactwbtathya@gmail.com

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

পড়তে ভুলবেন না

Leave a Comment