Digital Birth Certificate: এখন আর হাতে লেখা সার্টিফিকেটের দিন নেই। এখন হাতে লেখা ডকুমেন্ট এর থেকেও ডিজিটাল সার্টিফিকেট অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ হাতে লেখা সার্টিফিকেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা চুরি হয়ে যেতে পারে! কিন্তু ডিজিটালের ক্ষেত্রে সেটা হয় না! আর এটা ডিজিটাল যুগ, তাই সবকিছু যত ডিজিটাল হয়, মানুষের ঝঞ্ঝাট তত কমে।
সরকারি যেকোন কাজ এখন অনলাইন ও ডিজিটাল মাধ্যমে হয়। মানুষ এখন জন্ম সার্টিফিকেটও ডিজিটাল করে নিচ্ছেন। এই ডিজিটাল সার্টিফিকেট স্কুলে ভর্তি করা থেকে শুরু করে, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে জরুরী হয়ে ওঠে। এখন জন্মের এই সনদ ডিজিটাল ভাবে করার কতগুলি পদ্ধতি আছে। জন্ম সনদ কী করে ডিজিটাল ভাবে করবেন? সেটাই এই প্রতিবেদনে লিখে দেওয়া হল।
অনেকেই আধার কার্ড বা রেশন কার্ডের মত, জন্ম সনদও ডিজিটাল সংস্করণে রূপান্তর করে রাখেন। এতে ডকুমেন্ট হারিয়ে যাওয়ার বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। অনলাইন ছাড়াও বিভিন্ন পৌরসভা বা স্থানীয় প্রশাসনিক কার্যালয়ে অফলাইনেও এই কাজগুলি হয়ে থাকে।
নথি কি লাগবে?
বার্থ সার্টিফিকেট কে ডিজিটাল করার জন্য, প্রয়োজনীয় তিনটি নথি জোগাড় করা অত্যন্ত আবশ্যক। সেগুলি নীচে লিখে দেওয়া হলো।
হাতে লেখা আসল জন্ম সনদ-টির ফটোকপি: হাতে লেখা যে জন্ম সনদটি পেয়েছেন, তার ফটোকপি লাগবে, তাহলে সেটা ডিজিটাইজড করা যাবে।
বাবা মায়ের পরিচয়: যার জন্ম সনদ বার হচ্ছে তার বাবা-মায়ের আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
আবেদনপত্র: একটা সাদা কাগজে আবেদন করুন, সেখানে আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরও লিখে দিন।
উপরিউক্ত সকল নথি ও সাদা কাগজে লেখা আবেদন পত্রটি নিয়ে তারপর আপনার স্থানীয় পৌরসভা বা প্রশাসনিক অফিসে গিয়ে জমা দিতে হবে।
যাচাইকরন: আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর সেটা যাচাই করা হবে। পুরসভা বা প্রশাসনিক অফিসের কর্মীরা কাগজটি যাচাই করে দেখবেন।
রূপান্তর: যাচাইয়ের পর পৌরসভা বা প্রশাসনিক অফিসের কর্মীরা হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করবেন।
ডিজিটালাইজড
পৌরসভা বা প্রশাসনিক অফিস থেকে হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল হয়ে গেলে, তারপর আপনি সেখান থেকে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে নিতে পারবেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আপনার নিকটবর্তী পৌরসভা বা প্রশাসনিক অফিসে অবশ্যই জেনে নেবেন যে, এই সুবিধাটি এখন চালু হয়েছে কিনা তারপর আবেদন করবেন। কারণ সমস্ত পৌরসভা অফিসে এখনও পর্যন্ত এটা চালু হয় নি।










