LPG Gas Cylinder Booking: একটা সময় মানুষ কাঠ কয়লা জ্বেলে উনুনে রান্না করতেন, পরবর্তীতে কেরোসিন তেল আর স্টোভের যুগ এসেছিল। কিন্তু বর্তমান যুগে গ্যাস সিলিন্ডার ছাড়া মানুষ অচল। ফ্ল্যাট বাড়ি তো অনেক দূরের কথা, প্রত্যন্ত গ্রামের বাড়িতে আজ মাটির উনুন থাকলে তার পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারে রান্না হয়। তাই ঘরে ঘরে এখন গ্যাস কানেকশন লাগে।
যখন কোন জরুরী অবস্থায় গ্যাসের ক্রাইসিস হয় তখন মানুষের মাথায় হাত পড়ে। গ্যাসের ক্ষেত্রে অনেকেই এলপিজি গ্যাসের কানেকশন নেন। এখন যারা এলপিজি গ্যাস নেন, সেই সকল গ্রাহকদের জন্য রইল সুখবর।
অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে একটি নিয়ম বদল হতে চলেছে – এলপিজি গ্যাসের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় সরকার নতুন যে নির্দেশিকা জারি করেছেন, সেই অনুযায়ী এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকির সুবিধা পেতে গেলে বায়োমেট্রিক আধার ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলকভাবে করতে হবে।
১লা অক্টোবরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যদি কোনও গ্রাহক নির্দিষ্ট সীমায়সীমার মধ্যে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন না করেন তাহলে তার গ্যাস সিলিন্ডারের বুকিং বন্ধ হয়ে যাবে না। কিন্তু সরকার থেকে তিনি যে ভর্তুকি পেতেন সেটা বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ তখন আপনাকে রিফিল সিলিন্ডার বাজার দর অনুযায়ী কিনতে হবে।
এই পদক্ষেপের পিছনে সরকারের উদ্দেশ্য-
সরকার আসলে চাইছেন ভর্তুকির অপব্যবহার রোধ করতে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করলে এই অপব্যবহার বন্ধ করা যাবে।
এই নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজকর্ম হলে, যে বিষয়গুলি ঘটবে-
নতুনভাবে যাচাই করণ প্রক্রিয়া হবে এবং একই ব্যক্তির নামে থাকা ভোগ বা নকল সংযোগগুলোকে শনাক্তকরণ করার পর সেগুলিকে ব্লক করে দেওয়া হবে।
শিল্প এলাকা অর্থাৎ হোটেল , রেস্তোরা যেখানে ভর্তুকিপ্রাপ্ত গার্হস্থ্য সিলিন্ডার অবৈধভাবে গ্রহণ করা হয় সেই ব্যবহারকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যাবে ফলে সাধারণ মানুষ অনেক বেশি পরিষেবা পাবে।
গ্রাহকরা কীভাবে উপকৃত হবেন এর মাধ্যমে?
এই যাচাই করণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করলে যোগ্য ও প্রকৃত যাদের দরকার তারাই একমাত্র ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার পাবেন।
শিল্প বাণিজ্যিক কাজে অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার আর কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। তাই নকল এই গ্যাস সংযোগ গুলো শনাক্তকরণ করা হবে এবং বাতিল করে দেওয়া হবে।
যার ফলে অনেক বেশি পরিমাণে সাধারণ মানুষ এবং উপভোক্তা এর সুবিধা পাবেন।













