অন্নপূর্ণা যোজনাবার্ধক্য ভাতাযুবশক্তি স্কীমসরকারি নিয়মআজকের খবরইনভেস্টমেন্ট গাইডঅনলাইন ক্যারিয়াররাশিফলস্বাস্থ্যপ্রযুক্তিলাইফস্টাইলশেয়ার বাজারমিউচুয়াল ফান্ডআধ্যাত্মিকঅন্যান্য

শেয়ার মার্কেটে নতুন? জেনে নিন বেসিক গাইড! কিভাবে ইনভেস্ট শুরু করবেন?

Published on: September 21, 2026
Stock Market Investment Guide for Beginners

Stock Market Investment Guide for Beginners: শেয়ার মার্কেট শব্দটা শুনলেই অনেকে ঘাবড়ে যান। কিন্তু আসলে এটা খুব একটা জটিল বিষয় নয়। অনেকে মনে করেন প্রচুর টাকা থাকলে তবেই এখানে বিনিয়োগ করা যায়। আবার অনেকের ধারণা, শেয়ার মার্কেটের দাম প্রতিদিন ওঠানামা করে। কিন্তু আপনি জানলে অবাক হবেন আসলে এই দুটো ধারণাই পুরোপুরি ঠিক নয়।

শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে গেলে সবার আগে ভালো মতো জানতে হবে ইনভারমেন্ট এবং ট্রেডিং বিষয় দুটিকে। অনেকে এই দুটো বিষয়কে এক করে ফেললেও আসলে এই দুটো জিনিস এক নয়। ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে সাধারণত স্বল্প সময়ের মধ্যে দামের ওঠা নামা হয় আর ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে ভালো ব্যবসায় অংশীদার হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পদ ধরে রাখা হয়।

আজকের প্রতিবেদনটি তাই সেই সমস্ত মানুষদের জন্য যারা শেয়ার মার্কেটের সম্পর্কে সেভাবে কিছুই জানেন না কিন্তু জানতে চান। আজকের প্রতিবেদনটিতে বলা হবে শেয়ার কী, কীভাবে শেয়ার মার্কেটে অ্যাকাউন্ট খুলবেন। শুরুর দিকে কোন ধরনের শেয়ার কিনবেন এবং কত টাকা দিয়ে শেয়ার মার্কেটে কাজ শুরু করবেন। বিগিনার রা কীভাবে শেয়ার মার্কেটের ক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়িয়ে চলবেন সেই সংক্রান্ত বিষয় এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।

শেয়ার কী?

যদি আপনি একটি বড় কেক কেনেন তাহলে সেই কেকের প্রত্যেকটি অংশ টুকরো টুকরো করে যাদের দেবেন তারা আসলে কেকের এক একটা শেয়ার পাবে। একইভাবে একটা কোম্পানিকে যদি আপনি কেক ধরেন তাহলে সেই কোম্পানির ছোট ছোট অংশগুলো হল শেয়ার।

মিউচুয়াল ফান্ড কী? কত ধরনের এবং কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?
আরও পড়ুন

মিউচুয়াল ফান্ড কী? কত ধরনের এবং কীভাবে বিনিয়োগ করবেন?

একটি কোম্পানি যদি তার মালিকানার অংশকে ১০ লক্ষ শেয়ারে ভাগ করে আর আপনি যদি সেই কোম্পানির ১০০ টি শেয়ার কেনেন তাহলে কোম্পানির খুব ছোট একটি অংশের মালিক হয়ে উঠবেন আপনি।

Read More: ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ইনকাম করার উপায়? A টু Z গাইড!

এক্ষেত্রে কোম্পানি যদি ভাল ব্যবসা করে তাহলে আপনার লাভ বাড়বে আর যদি কোম্পানি ব্যবসা খারাপ করে তাহলে শেয়ারের দাম কমে যাবে। অর্থাৎ শেয়ার মানে হল আপনি একটি কোম্পানির অংশীদার হয়ে উঠছেন। তার ভালো মন্দের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন।

শেয়ার মার্কেট থেকে কীভাবে লাভ করা যায়?

শেয়ার মার্কেট থেকে দু-ভাবে লাভ করা যায়!

মূলধনী লাভ- আপনি যদি ১০০ টাকা দামে একটি শেয়ার কিনে সেটি ১৫০ টাকা দামে বিক্রি করেন তাহলে প্রতি শেয়ারে ৫০ টাকা করে লাভ হচ্ছে এটাকে বলা হয় মূলধনী লাভ।

তবে এর সঙ্গে অবশ্যই কর এবং অন্যান্য প্রযোজ্য যা কিছু চার্জ সেগুলোর বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

ডিভিডেন্ড –কোন কোন কোম্পানি তাদের লাভের একটা অংশ শেয়ার হোল্ডার এর মধ্যে বিতরণ করে দেয় এটাকে ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ বলে। তবে প্রত্যিটা কিন্তু নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেয় না।

শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের আগে নিজের আর্থিক অবস্থাটা বুঝতে হবে-

শেয়ার মার্কেটে ঢোকার আগে নিজের আর্থিক অবস্থাটা ভালোমতো বুঝে নেওয়া উচিত।

যদি কোন ব্যক্তির নিয়মিত আয় থাকে এবং তার জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার মত যথেষ্ট সঞ্চয় থাকে তবেই তার শেয়ার মার্কেটে ঢোকা উচিত।

একজন ব্যক্তিকে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের আগে ভাবতে হবে তিনি যে টাকা শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করবেন সেই টাকা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তার দরকার হতে পারে কিনা! যদি মনে হয় দরকার হতে পারে তাহলে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করে লাভ নেই। কারণ শেয়ার মার্কেট বাজারের ওপর নির্ভর করে।

ধরুন আপনার কাছে এক লক্ষ টাকা আছে এবং সেই টাকা দিয়ে ছয় মাস পরে আপনার ছেলের উচ্চ শিক্ষা বা অন্য কোন কারণে আপনার খরচ করার কথা। এখন যদি এই এক লক্ষ টাকা আপনি শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করেন তাহলে ছয় মাস পরে মার্কেটের অবস্থা কেমন থাকবে তা আপনার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। ছয় মাস পরে যদি মার্কেটের অবস্থা ভালো না হয়ে পড়ে যায় তখন আপনাকে ক্ষতি সম্মুখীন হয়ে আপনার শেয়ার বিক্রি করতে হবে।

তাই শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করবার আগে জরুরি সঞ্চয় এবং কোন বিপদ এলে সেই বিপদের জন্য খরচ করার মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা রেখে তবে শেয়ার মার্কেটে ঢুকতে হবে।

ডিম্যাট ও ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট

শেয়ার মার্কেটে এলে শেয়ার কেনা বেচার জন্য আপনার অবশ্যই একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট ও একটি ট্রেডিং একাউন্ট দরকার। ডিমেট অ্যাকাউন্ট এ আপনার কিনা শেয়ার আপনি ইলেকট্রনিক আকারে রাখতে পারবেন আর ট্রেডিং একাউন্টে আপনি শেয়ার কেনা বেচার অর্ডার দিতে পারবেন।

এই অ্যাকাউন্ট একটি SEBI Register Broker এর মাধ্যমে খুলতে পারবেন। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় KYC-র জন্য প্যান কার্ড, আধার কার্ড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথী লাগতে পারে। অ্যাকাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই অ্যাকাউন্ট রিলেটেড ফিস, ব্রোকার চার্জ ও আনুষাঙ্গিক অন্যান্য খরচ একটু দেখে নেবেন।

BSE এবং NSE

শেয়ার মার্কেটের দুটি প্রধান এক্সচেঞ্জ হল- BSE ও NSE।

  • BSE হলো Bombay Stock Exchange।
  • NSE হল National Stock Exchange of India Limited.।

কোন একটি কোম্পানির শেয়ার এই দুই এক্সচেঞ্জের মধ্যে তালিকাভুক্ত করা থাকলে বিনিয়োগকারীরা সেই এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে শেয়ার কেনাবেচা করতে পারেন।

  • যেমন, Sensex হল BSE-র একটি প্রধান Stock Market Index।
  • Nifty 50 হল NSE-তে তালিকাভুক্ত বড় কোম্পানি গুলোর একটি Index।

এই Index গুলোর ওঠানামা দেখলে বাজার সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। তবে কোন Index বাড়ছে মানেই যে প্রত্যেকটি শেয়ার বাড়বে এমনটা কিন্তু নয়।

প্রথমদিকেই কি Individual Stock কেনা উচিত?

নতুন বিনিয়োগকারীরা প্রায় এই প্রশ্নটি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করেন। তবে এক্ষেত্রে বলবো একটি কোম্পানির শেয়ার কিনলে আপনার টাকা সেই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে, কোম্পানির ব্যবসাতে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনার শেয়ারের দামও কমে যাবে।

অন্যদিকে মিউচুয়াল ফান্ডের (Mutual Fund) মাধ্যমে একসঙ্গে অনেকগুলো কোম্পানিতে আপনি Investment করতে পারবেন। তাই আপনি যদি একেবারে নতুন হন তাহলে Individual Stock কেনার আগে Diversification ও Index-Based Investing সম্পর্কে একটু জানার চেষ্টা করুন। ‌

Diversification কী?

আপনি যদি কোন কোম্পানিতে ৫০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন এবং কোম্পানিটির যদি বড় কোন সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে আপনার পুরো বিনিয়োগ কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অন্যদিকে আপনি যদি বিভিন্ন কোম্পানি বা সেক্টরে আপনার টাকাটা ভাগ করে বিনিয়োগ করেন, তাহলে কোন একটি বিনিয়োগের খারাপ ফলের প্রভাব কিছুটা কমে আসতে পারে।

তবে এক্ষেত্রেও আবার ভাববেন না যে অনেকগুলো শেয়ার কিনে ফেললেই ঝুঁকি পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে বুঝেশুনে কিনতে হবে।

শেয়ার কেনার আগে শুধু শেয়ারের দাম দেখলে হবে না। একটা কোম্পানি যদি ৫০ টাকা দামে কিছু জিনিস রাখে তাহলে সেটি সস্তা এবং অন্য একটি কোম্পানি যদি ২ হাজার টাকা দামে কিছু রাখে, তাহলে সেটি দামি এমন ধারণা রাখলে চলবে না।

কোম্পানির ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থার দিকে ভালো করে লক্ষ্য করতে হবে এবং কতগুলি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে- যেমন-

  • কোম্পানি কী ব্যবসা করে?
  • সেখানে লাভের প্রবণতা কতটা?
  • কোম্পানির কত টাকা ঋণ রয়েছে?
  • কোম্পানির আয় নিয়মিত হারে বাড়ছে কিনা?
  • কোম্পানির ক্যাস ফ্লো কেমন?
  • কোম্পানির প্রতিযোগীরা কারা?
  • ভবিষ্যতে ব্যবসা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো সুযোগ রয়েছে কিনা?
  • কোম্পানির আনুয়াল রিপোর্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট কী বলছে?
  • কোম্পানির ভ্যালুয়েশন কেমন?’

ইত্যাদি বিষয়গুলো ভালো করে বোঝার চেষ্টা করতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে নিজের মতো করে বিশ্লেষণ করা যায়।

P/E Ratio

শেয়ার মার্কেটে আপনি যখন প্রথম পা রাখবেন তখন আপনি এই শব্দটি প্রায়ই শুনবেন। এর অর্থ হল Price-to-Earnings Ratio।

অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, একটি কোম্পানির শেয়ারের বাজারদর তার প্রতি শেয়ারের আয়ের তুলনায় কতটা বেশি বা কম তার একটি ধারণা এই রেশিও থেকে পাওয়া যায়।

তবে শুধুমাত্র P/E Ratio দেখেই শেয়ার কেনা উচিত নয়। দ্রুত বাড়তে থাকা একটা ভালো কোম্পানির P/E Ratio তুলনামূলক বেশি হতে পারে। তাই এই রেশিও দেখার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য আর্থিক তথ্যের বিষয়টিও মিলিয়ে দেখবেন।

মার্কেট ক্যাপ

মার্কেট ক্যাপ এর পুরো কথাটি হলো Market Capitalization। অর্থাৎ একটি কোম্পানির মোট বাজার মূল্যের একটি পরিমাপ।

মার্কেট ক্যাপ=বর্তমান শেয়ার দর ×মোট আউটস্ট্যান্ডিং শেয়ার।

মার্কেট ক্যাপ অনুযায়ী কোম্পানিকে লার্জ ক্যাপ (Large Cap), মিড ক্যাপ (Mid Cap), স্মল ক্যাপে (Small Cap) ভাগ করা যায়।

এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বড় কোম্পানি মানেই যেমন ঝুঁকিমুক্ত নয়, তেমনি ছোট কোম্পানি মানেই কিন্তু খারাপ নয়। তাই শেয়ারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানিতে অল্প অল্প করে শেয়ার রাখলে ঝুঁকি ও বৃদ্ধি সম্ভাবনা আলাদা আলাদা হবে।

ঠিক কোন সময় শেয়ার কিনবেন?

শেয়ার মার্কেটে যিনি প্রথম পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি বুঝতে পারেন না কোন সময় শেয়ার কেনার উপযুক্ত সময়।

আসলে ভবিষ্যতের বাজারদর কেউই নিশ্চিত ভাবে জানে না তাই কেনার আগে নানান রকম প্রশ্ন মানুষের মনের মধ্যে থাকে। তাই সে ক্ষেত্রে শুরুর দিকে বিনিয়োগ কারীদের উচিত দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের দিকে নজর রাখা।

মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে SIP (Systematic Investment Plan) করা যেতে পারে, যদি কেউ প্রতি মাসে ২০০০ টাকা করে SIP করে, তাহলে বাজারের পরিস্থিতি যাই হোক নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বিনিয়োগ চালিয়ে যেতে হবে। তবে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার SIP কিন্তু লাভের নিশ্চয়তা দেয় না এবং এটিও অন্যান্য বাজারের ঝুঁকির চাইতে মুক্ত নয়।

সবই তো হল তাহলে কত টাকা দিয়ে শুরু করবেন?

দেখুন শেয়ার মার্কেট শুরু করার ক্ষেত্রে কোন নির্দিষ্ট অংক বলে দেওয়া যায় না। প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব, আয়, সঞ্চয় এবং ব্যয়ের ওপর সেটি নির্ভর করে।

যদি শেয়ার মার্কেটে (Stock Market) এটি আপনার প্রথম পদক্ষেপ হয়, তবে বড় অংক দিয়ে শুরু না করে আপনি অল্প কিছু টাকা দিয়ে প্রথমে বিনিয়োগ করুন, তারপর সময় সুযোগ বুঝে আবার টাকা দেবেন।

প্রথমদিকে বিনিয়োগের পদ্ধতি শিখুন, প্রথমেই টাকা এবং লাভের বিষয়ে মাথায় আনলে শেয়ার মার্কেট টা ভালো মতো শিখতে পারবেন না।

কয়েকটি ফাঁদ এড়িয়ে চলবেন-

তবে শেয়ার মার্কেটে পা দেওয়ার আগে অবশ্যই মাথায় রাখবেন Penny Stock এর ফাঁদ থেকে অবশ্যই সাবধান থাকবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে হয়তো কেউ বলবেন- ৫ টাকাতে শেয়ার টা কিনুন এটা কিছুদিন পরেই ৫০ হয়ে গেলে দশ গুণ লাভ করবেন, সে ক্ষেত্রে আপনি প্রথমে এটা ভাববেন যে এই দাবির যৌক্তিকতা কী? আদৌ‌ কি এর কোন ভিত্তি আছে?

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া তে নানান রকম স্টক টিপস দেওয়া হয়।

হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব, ফেসবুক বা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে প্রতিদিন অসংখ্য স্টক টিপ পাওয়া যায়। এই ধরনের বিনিয়োগ করবার আগে কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে। কেউ নিজের লাভের স্ক্রিনশট দেখালেই সেটি কিন্তু আপনার ভবিষ্যতের লাভের প্রমাণ নয়।

তাই বুঝেশুনে পা ফেলুন। বিশেষ করে কেউ যদি দ্রুত টাকা দ্বিগুণ করার কথা বলে বা নিশ্চিত লাভের কথা বলে, তাহলে সেটি কে বিপদ হিসেবেই চিহ্নিত করুন।

সবশেষে একটাই কথা শেয়ার মার্কেটে লাভ হলেই পুরো লাভ আপনার হাতে থাকবে এমনটা নয়। ট্যাক্স ও চার্জেস থাকবে।

WB TATHYA

WB Tathya শুধু একটি YouTube চ্যানেল নয়—এটি একটি বিশ্বাসযোগ্য মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম কমিউনিটি। YouTube, Website, Facebook Page, Instagram এবং X—সব জায়গাতেই আমরা একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি: সঠিক তথ্য, বাস্তব সুযোগ এবং সম্পূর্ণ ফ্রি গাইডেন্স মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।আমাদের প্রতিটি কনটেন্ট নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়, যাতে পাঠক ও দর্শক সহজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।যোগাযোগ: contactwbtathya@gmail.com

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment