প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে পাবে রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা! আবেদন করুন সেবা সেতু ক্যাম্পে।

Published on: September 28, 2026
Viksit Bharat Scheme

Viksit Bharat Scheme: গ্রামের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলবার জন্য ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের রুজি রোজগার নিশ্চিত করবার জন্য নতুন গ্রামীন কর্মসংস্থান প্রকল্প চালু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন এই প্রকল্পে রাজ্যের ছেলে মেয়েরা প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে পাবে।

গ্রামীণ কর্মসংস্থান এই প্রকল্প অর্থাৎ বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এন্ড আজীবিকা মিশন (Viksit Bharat-Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission)-এ গ্রামাঞ্চলে কাজের সুযোগ তৈরি করা হবে।

এই বছরের জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। এছাড়া গ্রাম অঞ্চলের জব কার্ড তৈরি করা হবে যাতে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি করা যায়। গ্রামাঞ্চলে আগে যেখানে ১০০ দিনের কাজ ছিল সেখানে, বর্তমানে কাজটা হয়ে গিয়েছে ১২৫ দিনের।

কিভাবে রোজগারের বৃদ্ধি হবে?

অর্থাৎ দিন সংখ্যা বৃদ্ধি মানে রোজগারের ক্ষমতা বৃদ্ধি। এই প্রকল্পে কাজ করলে প্রতিটি অদক্ষ শ্রমিককে মজুরি হিসেবে প্রতিদিন ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এই টাকা সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পেয়ে যাবে। অর্থাৎ কেউ যদি ১২৫ দিন কাজ করে তার মানে দাঁড়াচ্ছে, বছরে সে ৩৭,৫০০ টাকা রোজগার করতে পারবে।

মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কীভাবে নতুন আবেদন করবেন? রইল সহজ পদ্ধতি!
আরও পড়ুন

মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কীভাবে নতুন আবেদন করবেন? রইল সহজ পদ্ধতি!

তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে ৩০০ টাকা প্রতিদিন পিছু মজুরী কিন্তু অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য। আধা দক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য মজুরি স্বাভাবিকভাবেই একটু আলাদা এবং বেশি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বর্তমান অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৭ কোটি ২০ লক্ষ কর্ম দিবস তৈরির লক্ষ্য মাত্রা নিয়েছে।

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষদের হাতে সরাসরি অর্থ তুলে দেওয়া এবং গ্রামীণ মানুষদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। একটা পরিবারে একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য থাকতে পারেন এবং তারা একটি জব কার্ডের আন্ডারেই থাকবেন।

এক্ষেত্রে একটি কার্ডের আন্ডারে থাকা সদস্য সংখ্যা ‌কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা নেই। পরিবারের যত সদস্যই থাক না কেন তারা একটা কার্ডই থাকতে পারবেন।

ডকুমেন্ট কি কি লাগবে?

এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারী ও কার্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকা প্রত্যেকটি সদস্যের কতগুলি নথি লাগবে, সেগুলি নীচে উল্লেখ করা হলো- আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, ব্যাঙ্কের পাস বইয়ের প্রথম পাতা, জাতিগত শংসাপত্রের জেরক্স কপি ও পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক ছবি।

আবেদন কিভাবে করবেন?

আবেদন করার জন্য প্রথমে স্থানীয় ব্লক অফিস বা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে অথবা সেবা সেতু ক্যাম্পে থাকা জনকল্যাণ শিবির থেকেও আবেদন পত্র কেউ সংগ্রহ করতে পারে।

এরপর আবেদন পত্রের ওপরে আবেদনকারী ও অভিভাবকের নাম স্পষ্ট করে লিখতে হবে।

  • আবেদনকারীর বাড়ির ঠিকানা,
  • তার পরিবারের প্রধানের নাম,
  • তার জন্ম তারিখ,
  • ভোটার ও আধার কার্ড,
  • মোবাইল নাম্বার,
  • ব্যাঙ্ক একাউন্টের যাবতীয় তথ্য এখানে দিতে হবে।

এবার আধার তথ্য যাচাই করবার জন্য নির্দিষ্ট একটি অংশে আধার নম্বর লিখে সই করতে হবে। পুরো আবেদন পত্রটি মন দিয়ে ফিলাপ করতে হবে যেন কোন ভুল না থাকে। তারপর প্রয়োজনীয় সকল তথ্য পূরণ হয়ে গেলে, ফর্মটি পঞ্চায়েত বা আবার সরকারি কোন ক্যাম্পে জমা দিয়ে দিতে হবে। অবশ্যই রসিদ সংগ্রহ করে নিতে হবে।

Viksit Bharat-Guarantee for Rozgar and Ajeevika MissionOfficial Website
কন্যা-রত্ন যোজনায় পাবে ₹৫০,০০০ টাকা!Apply Now

WB TATHYA

WB Tathya শুধু একটি YouTube চ্যানেল নয়—এটি একটি বিশ্বাসযোগ্য মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম কমিউনিটি। YouTube, Website, Facebook Page, Instagram এবং X—সব জায়গাতেই আমরা একটাই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি: সঠিক তথ্য, বাস্তব সুযোগ এবং সম্পূর্ণ ফ্রি গাইডেন্স মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।আমাদের প্রতিটি কনটেন্ট নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়, যাতে পাঠক ও দর্শক সহজেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।যোগাযোগ: contactwbtathya@gmail.com

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment