PM Viksit Bharat Rozgar Yojana: কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি একটি নতুন জনকল্যাণ মূলক প্রকল্প শুরু করেছেন। এই প্রকল্পের নাম, প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা। এই যোজনা মূলত চালু করা হয়েছে দেশের তরুণ প্রজন্ম ও প্রথমবার কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করা চাকরিজীবীদের জন্য।
এই সকল তরুণ প্রজন্ম এবং চাকরিজীবীদের উৎসাহোগাতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপ রীতিমতো প্রশংসনীয়। বর্তমানে যে রকম প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে চাকরি পাওয়া ভীষণ রকম কঠিন এবং নানান রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় একটি চাকরি পেতে গেলে।
তাই যুব সমাজের ক্যারিয়ারের শুরুতেই তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সাবলম্বী করে তোলার জন্য এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ কে ইতিবাচক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রথমবার ফর্মাল বা সংঘটিত ক্ষেত্রে চাকরি শুরু করা যোগ্য প্রার্থীরা সরাসরি আর্থিক উৎসাহ বা ইনসেনটিভ হিসেবে ১৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন।
আর্থিক সহায়তার পরিমাণ
সরকার নির্ধারিত নিয়ম ও নীতি অনুযায়ী এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এর জন্য আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটির ডিবিটি লিঙ্ক থাকা জরুরী।
আর্থিক সহায়তা কীভাবে দেওয়া হবে?
১৫,০০০/- টাকার অনুদানটি একবারে না দিয়ে দুবার সমান কিস্তিতে মিটিয়ে দেওয়া হবে। নতুন চাকরি পাওয়ার পর চাকরির মেয়াদ ছয় মাস পূর্ণ করলে প্রথম কিস্তির ৭৫০০ টাকা প্রার্থীকে দেওয়া হবে। চাকরির মেয়াদ এক বছর পূর্ণ হলে দ্বিতীয় কিস্তির ৭৫০০ টাকা দেওয়া হবে।
প্রার্থীর এক মাসের এমপ্লয়িজ প্রফিডেন্ট ফান্ডের বেতনের ওপর ভিত্তি করে এই ইনসেনটিভ এর পরিমাণ নির্ধারিত হবে এবং ধাপে ধাপে আর্থিক সহায়তা করা হবে। মূলত পেশাগত ভিত্তিকে মজবুত করতে এবং কর্ম ক্ষেত্রে টিকে থাকার উৎসাহ প্রদান করতেই তরুণদেরকে এইভাবে আর্থিক সহায়তা করা হবে।।
আবেদন করার যোগ্যতা
এই প্রকল্পে আবেদন করার মাপকাঠি হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। যোগ্যতার সেই মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হলেই তারা এই দুই কিস্তির টাকা পাবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক যোগ্যতার সেই সকল দিকগুলি
প্রথমবার কর্মক্ষেত্রে যোগদান
এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে চাকরিপ্রার্থীর কর্মক্ষেত্রে একেবারে প্রথম প্রবেশ হতে হবে! অর্থাৎ চাকরিপ্রার্থীকে কখনো এমপ্লয়িজ প্রফিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা দেশের অন্য কোন অনুমোদিত ট্রাস্টের সদস্য হয়ে থাকতে পারবেন না।
মাসিক আয়
আবেদনকারীর মাসিক আয় সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে হবে। এর বেশি হলে তিনি যোগ্য হবেন না।
চাকরি ক্ষেত্রের স্থায়িত্ব ও মেয়াদ
একটি সংস্থাতে টানা কমপক্ষে ছয় মাস কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করলে তবেই একজন প্রার্থী প্রথম কিস্তির টাকা পাবেন।
প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত শর্ত
আবেদনকারী প্রার্থীর ইউনিভার্সেল অ্যাকাউন্ট নাম্বার অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। Umang অ্যাপের মাধ্যমে ফেস অথেন্টিফিকেশন করতে হবে। DBT-র সুবিধা থাকা জরুরী। অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ডিবিটি লিঙ্ক থাকতে হবে
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দেশের যুবসমাজকে কর্ম ক্ষেত্রে উৎসাহ প্রদান করার জন্য, কর্মজীবনের শুরুতে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা প্রদান করবার জন্য কেন্দ্র সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছেন যা যুব সমাজের মধ্যে ইতিবাচক হয়ে উঠবে বলেই আশা রাখা যাচ্ছে।













