Annapurna Bhandar July Payment: সবার জন্য দুর্দান্ত একটা খুশির খবর! যদি আপনারা অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা জুলাই মাসেও না পেয়ে থাকেন। তাহলে খুব শীঘ্রই এই টাকা আপনার একাউন্টে আসতে চলেছে।
অন্নপূর্ণা যোজনায় বর্তমান স্ট্যাটাস কি?
Approved (অনুমোদিত): ১৫ই জুলাই থেকে ২০ই জুলাইয়ের মধ্যে জুলাই মাসের কিস্তি ৩০০০ টাকা ঢুকতে পারে। ব্যাঙ্ক একাউন্ট নিয়মিত চেক করবেন। অনেক সময় টাকা ক্রেডিট হবার মেসেজ আসেনা, কিন্তু একাউন্টে টাকা ক্রেডিট হয়ে যায়!
Under Enquiry (যাচাই চলছে): অনেকের স্ট্যাটাস Under Enquiry দেখালেও, জুলাই মাসের ৩০০০ টাকা একাউন্টে টাকা ঢুকে যেতে পারে। কারন, ইতিমধ্যে অনেকের গ্রাউন্ড লেভেল ভেরিফিকেশন হয়ে গেছে, তাদের বেশিরভাগ আবেদন Approved হয়ে গেছে, কিন্তু পোর্টালে স্ট্যাটাস আপডেট হতে সময় লাগবে।
কিন্তু, যাদের ভেরিফকেশন দেরিতে হয়েছে বা এখনও হয়নি তাদের টাকা জুলাই মাসে নাও ঢুকতে পারে। তাদের আগস্ট মাস নাগাদ টাকাটা ঢুকবে। তবে মনে রাখবেন, যারা যোগ্য এবং অন্নপূর্ণা স্কীমের সমস্ত শর্ত পূরণ করবেন, তাদেরই টাকা দেওয়া হবে।
Rejected (বাতিল): যাদের আবেদনের স্ট্যাটাস Rejected দেখাবে, তাদের টাকা কোনোমতেই দেওয়া হবেনা। কারন, তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। যাদের আবেদন বাতিল হবে পরবর্তীতে, তাদের সংশোধন করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে।
Read More: বার্ধক্য ভাতায় ১৫০০ না ৩০০০ টাকা ঢুকবে? নতুন ভেরিফিকেশন শুরু!
স্ট্যাটাস: Under Enquiry (ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই)
বর্তমানে ৯০% মানুষের আবেদনের স্ট্যাটাস Under Enquiry অথবা Application Submitted/Under Process দেখাচ্ছে। অনেকের ইতিমধ্যে ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু তাদের স্ট্যাটাস পোর্টালে আপডেট করা হয়নি। চিন্তা করবেন না, অধিকাংশ উপভোক্তার আবেদন মঞ্জুর করে দেওয়া হবে।
ভেরিফকেশন কিভাবে হচ্ছে?
যাদের এখনও ভেরিফকেশন হয়নি, তাদের কিছুদিনের মধ্যে ভেরিফকেশন হতে পারে। অনেকের ভেরিফকেশন অফিসে বসে সরকারি আধিকারিকেরা নিজেরাই করে নিচ্ছে, কার্বন তাদের ফর্মে কোন ভুল নেই, তাদের আবেদন এপ্রুভ করে দেওয়া হবে। মূলত, ৩টি পর্যায়ে ভেরিফিকেশন চলছে-
১) ফোন কল করে: পঞ্চায়েত বা পৌরসভা থেকে আবেদনকারীদের ফোন কল করে যাচাই করা হচ্ছে। যদি কোন কারনে কল রিসিভ করতে না পারেন, সরাসরি নিজের সরকারি অফিসে পৌঁছে যান।
২) বাড়ি বাড়ি গিয়ে: ইনকয়ারি অফিসার বা আশাকর্মীরা সরাসরি বাড়ি বাড়ি ভিজিট করে যাচাই করছেন। সেক্ষেত্রে, তারা কিছু প্রশ্ন করতে পারে, যেমন- বাড়িতে কেউ সরকারি চাকরি করেন কিনা? কেউ ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করেন কিনা? সরকারি পেনশনভোগী আছেন কিনা? ইত্যাদি।
৩) অফিসে ডেকে: কোন কোন এলাকায় পঞ্চায়েত বা পৌরসভা অফিসে ক্যাম্প বসছে, সেখানে আবেদনকারীদের ডেকে ভেরিফিকেশন পর্ব চলছে।
যে ৫টি কারণে আবেদন বাতিল হতে পারে?
সরকারি চাকরি- আবেদনকারী নিজে বা তার পরিবারের কোন সদস্য যদি স্থায়ী সরকারি চাকরি করেন।
সরকারি পেনশন- আবেদনকারী নিয়মিত সরকারি পেনশনভোগী হয়ে থাকেন।
আয়করদাতা- আবেদনকারীর পরিবার যদি ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করে থাকেন। এখানে মনে রাখবেন, বছরে ১২ লাখ টাকা আয় করলে, ইনকাম ট্যাক্স দেওয়া লাগে। এবং চাকরি করলে প্রফেশনাল ট্যাক্স দেওয়া লাগে। তাই, কেউ যদি TDS রিফান্ডের জন্য ITR ফাইল করেন, তা ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় পরেন না।
১৫ই জুলাই টাকা না এলে কী করবেন?
সূত্র অনুসারে, ১৫ই জুলাই থেকে ২০ই জুলাইয়ের মধ্যে জুলাই মাসের কিস্তি ৩০০০ টাকা দেওয়া হতে পারে, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে। কিন্তু মনে রাখবেন, সবার টাকা একবারে দেওয়া হবেনা, ধাপে ধাপে সবাই টাকা পাবেন।
২০ই জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, ভেরিফিকেশন সফল হকে টাকা ঢুকে যাবে। নিয়মিত আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করতে থাকুন।









